৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
বাংলার খবর, বিশ্বের নজরে
তাজা খবর
৮০ লক্ষ টাকার আর্থিক প্রতারণার অভিযোগ, টলিউড পরিচালক ও অভিনেতা ওয়াসিম আক্তার গ্রেফতার বিকাশ ভবন অভিযানে ২০১৬ সালের চাকরিহারা শিক্ষক-শিক্ষাকর্মীরা, একাধিক দাবিতে মিছিল সাঁকরাইলে ফুড সেফটি দপ্তর ও পুলিশের যৌথ অভিযান, লাইসেন্স না থাকায় বন্ধ হোটেল বিস্কুটের পেটি কেটে হাতে খড়ি, ইছামতির মাটি ছুঁয়ে মৃন্ময়ী প্রতিমায় কলেজ ছাত্র দীপনের জয়যাত্রা বাড়ি ঘিরে পুলিশের তল্লাশি, পূর্ব ভোগডাবরিতে উদ্ধার ১০২ কেজিরও বেশি গাঁজা
পশ্চিমবঙ্গ

জন্মাষ্টমীতে পচা মিষ্টি বিক্রির অভিযোগ! শান্তিপুরে মিষ্টির দোকানে বিক্ষোভ, উঠছে লাইসেন্স নিয়েও প্রশ্ন

লিখেছেন Editor - Bengal News Net ৩৮ বার পঠিত ২ মিনিটের পড়া
জন্মাষ্টমীতে পচা মিষ্টি বিক্রির অভিযোগ! শান্তিপুরে মিষ্টির দোকানে বিক্ষোভ, উঠছে লাইসেন্স নিয়েও প্রশ্ন

**শান্তিপুর:** জন্মাষ্টমী উপলক্ষে মিষ্টি কিনে বাড়ি নিয়ে যাওয়ার পর প্যাকেট খুলতেই চক্ষু চড়কগাছ! মিষ্টির গায়ে কালো দাগ, ছত্রাকের মতো আস্তরণ। এমনই অভিযোগকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়াল নদিয়ার শান্তিপুরে। অভিযোগের তির আগমেশ্বরীতলা সংলগ্ন **মদন গোপাল সুইটস** নামের একটি মিষ্টির দোকানের বিরুদ্ধে।


স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মাতালগড় এলাকার এক গৃহবধূ জন্মাষ্টমী উপলক্ষে বৃহস্পতিবার রাতে ওই দোকান থেকে এক প্যাকেট কালাকাঁধ মিষ্টি কিনেছিলেন। শুক্রবার সকালে পুজোর জন্য মিষ্টির প্যাকেট খুলতেই তিনি দেখতে পান, মিষ্টিগুলির গায়ে কালো দাগ এবং ছত্রাকের মতো আস্তরণ পড়ে রয়েছে। মিষ্টিগুলি নষ্ট হয়ে যাওয়ার অভিযোগ তুলে এরপর পরিবারের সদস্যরা ওই প্যাকেট নিয়ে দোকানে যান।


অভিযোগ, সংবাদমাধ্যমের উপস্থিতি টের পেয়ে দোকানের মালিক মিষ্টির প্যাকেটটি পরিবর্তন করে দেন। যদিও প্রথমে বাসি বা নষ্ট মিষ্টি দেওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করেন দোকান মালিক। পরে সংবাদমাধ্যমের প্রশ্নের মুখে তাঁর বক্তব্যে কিছুটা পরিবর্তন আসে বলে অভিযোগ।


স্থানীয়দের আরও অভিযোগ, ওই দোকানের বিরুদ্ধে এর আগেও **মেয়াদ উত্তীর্ণ ঠান্ডা পানীয় বিক্রির** অভিযোগ উঠেছিল। পাশাপাশি দোকানটির ফুড লাইসেন্স ও ট্রেড লাইসেন্স নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয়রা। তাঁদের দাবি, প্রয়োজনীয় অনুমতি ছাড়াই দীর্ঘদিন ধরে দোকানটি চালানো হচ্ছে।


জন্মাষ্টমীর মতো বিশেষ উৎসবের দিনে এমন অভিযোগ সামনে আসায় ক্ষোভ তৈরি হয়েছে এলাকায়। মিষ্টি খেয়ে কোনও ব্যক্তি অসুস্থ হয়ে পড়লে তার দায় কে নেবে, তা নিয়েও প্রশ্ন তুলছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।


এলাকাবাসীর দাবি, ঘটনার যথাযথ তদন্ত করে প্রশাসনের তরফে কঠোর পদক্ষেপ করা হোক। পাশাপাশি শহরের বিভিন্ন মিষ্টির দোকানে খাবারের গুণমান ও প্রয়োজনীয় লাইসেন্স রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখতে নিয়মিত নজরদারির দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।


তবে অভিযোগগুলির সত্যতা যাচাই এবং দোকানটির বিরুদ্ধে প্রশাসনের তরফে কোনও পদক্ষেপ করা হয়েছে কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়।

সম্পর্কিত খবর