১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
২৮.৯°C কলকাতা

আবহাওয়া

২৮.৯°C
সম্পূর্ণ মেঘলা
অনুভূত হচ্ছে
৩৫.৫°C
আর্দ্রতা
৮৪%
বাতাস
১৪.৮ km/h E
বায়ুচাপ
১০০৫ hPa
বৃষ্টিপাত (গত ১ ঘণ্টা)
০ mm
মেঘে ঢাকা
৮৫%
দৃশ্যমানতা
১০ km
সূর্যোদয়
০৫:২২
সূর্যাস্ত
১৭:৪৪

হালনাগাদ: ১১ Sep, ১৫:৫৩ IST

🚨
বাংলার খবর, বিশ্বের নজরে
তাজা খবর
অস্বাভাবিক মৃত্যুর ঘটনায় তদন্তে পুলিশ, ময়নাতদন্তে পাঠানো হল দেহ নৌকাই এখন ভরসা! হাঁটুজলে ডুবল ভূতনী থানা, বানভাসিদের পাশে পুলিশ নন্দীগ্রাম উপনির্বাচনে বিজেপির প্রার্থী কে? হাসি রথের নাম ঘিরে জোর চর্চা, কী বললেন চন্দ্রনাথের মা ধুলিয়ানে নাবালিকার বিয়ে রুখল পুলিশ, মায়ের সঙ্গে আটক নাবালিকাও নলহাটিতে ১০ হাজার জিলেটিন স্টিক ও ৩৬০ ডিটোনেটর উদ্ধারের মামলা, ৭ মাস পর NIA-এর জালে ৩
মালদা

নৌকাই এখন ভরসা! হাঁটুজলে ডুবল ভূতনী থানা, বানভাসিদের পাশে পুলিশ

লিখেছেন Editor - Bengal News Net ২৭ বার পঠিত ২ মিনিটের পড়া
নৌকাই এখন ভরসা! হাঁটুজলে ডুবল ভূতনী থানা, বানভাসিদের পাশে পুলিশ

**নিজস্ব সংবাদদাতা, মালদা:** টানা বৃষ্টি এবং গঙ্গার জলস্তর বৃদ্ধির জেরে মালদার মানিকচক ব্লকের ভূতনী অঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতি ক্রমশ ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। বিস্তীর্ণ এলাকা এখন জলমগ্ন। বসতবাড়ি, চাষের জমি থেকে শুরু করে সরকারি দফতর—জলের তলায় একাধিক এলাকা। পরিস্থিতির প্রভাব পড়েছে ভূতনী থানাতেও। হাঁটু সমান জলে ডুবে গিয়েছে থানা চত্বর।


তবে প্রতিকূল পরিস্থিতিতেও পুলিশের পরিষেবা যাতে ব্যাহত না হয়, তার জন্য নৌকাকেই কার্যত ভরসা করে নিয়েছেন ভূতনী থানার পুলিশকর্মীরা। থানার চত্বর ও আশপাশের এলাকা জলে থইথই করলেও আধিকারিক থেকে পুলিশকর্মীরা নৌকায় চড়েই নজরদারি চালাচ্ছেন। জলবন্দি মানুষের কাছে পৌঁছে চলছে উদ্ধার ও সাহায্যের কাজ।


বন্যাকবলিত বিভিন্ন গ্রামে নৌকায় করে পৌঁছে যাচ্ছেন পুলিশকর্মীরা। বিপন্ন মানুষের খোঁজ নেওয়ার পাশাপাশি বয়স্ক, শিশু ও অসুস্থদের নিরাপদ জায়গায় সরিয়ে নিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। প্রয়োজনে তাঁদের উঁচু বাঁধ কিংবা নিরাপদ আশ্রয়কেন্দ্রে পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে। জরুরি উদ্ধারকাজের জন্য বেশ কিছু নৌকা প্রস্তুত রাখা হয়েছে বলেও জানা গিয়েছে।


পুলিশের সঙ্গে উদ্ধারকাজে সহযোগিতা করছেন স্বেচ্ছাসেবী ও সহায়তাকারী দলের সদস্যরাও। জলমগ্ন এলাকায় সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিশেষ হেল্পলাইন পরিষেবাও চালু রাখা হয়েছে। উদ্ধারকাজ, আইনি সাহায্য কিংবা ত্রাণ সংক্রান্ত কোনও প্রয়োজনের খবর পেলেই সংশ্লিষ্ট এলাকায় নৌকা নিয়ে পৌঁছে যাওয়ার চেষ্টা করছেন পুলিশকর্মীরা।


শুধু আইনশৃঙ্খলা রক্ষাই নয়, বন্যার এই কঠিন পরিস্থিতিতে মানবিক ভূমিকাতেও দেখা যাচ্ছে পুলিশকে। অসুস্থ ও বিপন্ন মানুষদের প্রয়োজন অনুযায়ী চিকিৎসাকেন্দ্রে পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থাও করছেন উদ্ধারকারী দলের সদস্যরা।


বন্যার জলে যখন কার্যত বিচ্ছিন্ন ভূতনীর বিস্তীর্ণ এলাকা, তখন পুলিশের এই তৎপরতা কিছুটা হলেও স্বস্তি দিচ্ছে বানভাসি বাসিন্দাদের। পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত নৌকার মাধ্যমে নজরদারি, উদ্ধারকাজ এবং জরুরি পরিষেবা অব্যাহত থাকবে।

সম্পর্কিত খবর