৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
বাংলার খবর, বিশ্বের নজরে
তাজা খবর
৮০ লক্ষ টাকার আর্থিক প্রতারণার অভিযোগ, টলিউড পরিচালক ও অভিনেতা ওয়াসিম আক্তার গ্রেফতার বিকাশ ভবন অভিযানে ২০১৬ সালের চাকরিহারা শিক্ষক-শিক্ষাকর্মীরা, একাধিক দাবিতে মিছিল সাঁকরাইলে ফুড সেফটি দপ্তর ও পুলিশের যৌথ অভিযান, লাইসেন্স না থাকায় বন্ধ হোটেল বিস্কুটের পেটি কেটে হাতে খড়ি, ইছামতির মাটি ছুঁয়ে মৃন্ময়ী প্রতিমায় কলেজ ছাত্র দীপনের জয়যাত্রা বাড়ি ঘিরে পুলিশের তল্লাশি, পূর্ব ভোগডাবরিতে উদ্ধার ১০২ কেজিরও বেশি গাঁজা
পশ্চিমবঙ্গ

হাসনাবাদে ‘ধর্মান্তকরণের প্রচেষ্টার’ অভিযোগ, স্কুল বন্ধের দাবিতে বিক্ষোভ হিন্দু জাগরণ মঞ্চের

লিখেছেন Editor - Bengal News Net ৩৮ বার পঠিত ২ মিনিটের পড়া
হাসনাবাদে ‘ধর্মান্তকরণের প্রচেষ্টার’ অভিযোগ, স্কুল বন্ধের দাবিতে বিক্ষোভ হিন্দু জাগরণ মঞ্চের

**উত্তর ২৪ পরগনা:** শিশুদের পড়াশোনার আড়ালে খ্রিস্টান ধর্মের প্রতি আকৃষ্ট করা এবং ধর্মান্তকরণের চেষ্টা চালানোর অভিযোগকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়াল হাসনাবাদ থানার রূপমারি এলাকায়। স্থানীয় এক মহিলার বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে ‘খ্রিস্টান স্কুল’ চালানোর অভিযোগ তুলে স্কুলটি বন্ধের দাবিতে বিক্ষোভ দেখাল হিন্দু জাগরণ মঞ্চের সদস্যরা।


স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, রূপমারি বাজার এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে রিনা মণ্ডল নামে এক মহিলা শিশুদের নিয়ে একটি স্কুল পরিচালনা করছেন বলে অভিযোগ। হিন্দু জাগরণ মঞ্চের দাবি, প্রায় ১০ থেকে ২০ বছর ধরে ওই স্কুলের মাধ্যমে শিশুদের মধ্যে খ্রিস্টান ধর্মের বিভিন্ন রীতি, প্রথা ও সংস্কৃতি প্রচার করা হচ্ছে।


বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, স্কুলের ভিতরে খ্রিস্টান ধর্মের বিভিন্ন ছবি ও সামগ্রী রাখা রয়েছে। এমনকী, শিশুদের খাতাতেও খ্রিস্টান ধর্মের বিভিন্ন বিষয় লেখানো হতো বলে দাবি তাঁদের। যদিও এই সমস্ত অভিযোগের স্বাধীনভাবে সত্যতা যাচাই করেনি এই সংবাদমাধ্যম।


অভিযোগ সামনে আসার পর এদিন হিন্দু জাগরণ মঞ্চের সদস্যরা স্কুলের সামনে জড়ো হয়ে বিক্ষোভ দেখান। তাঁদের দাবি, অবিলম্বে ওই স্কুল বন্ধ করতে হবে এবং শিশুদের ধর্মীয়ভাবে প্রভাবিত করার অভিযোগের তদন্ত করতে হবে।


বিক্ষোভ চলাকালীন স্কুলের গেটে তালা লাগিয়ে দেওয়া হয় বলেও অভিযোগ। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা তৈরি হয়।


হিন্দু জাগরণ মঞ্চের পক্ষ থেকে আরও দাবি করা হয়েছে, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের আড়ালে যদি কোনও ধরনের ধর্মীয় প্রচার বা বেআইনি ধর্মান্তকরণের চেষ্টা হয়ে থাকে, তাহলে প্রশাসনকে দ্রুত তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে হবে।


তবে **স্কুল কর্তৃপক্ষের বক্তব্য, ওই প্রতিষ্ঠানের বৈধতা, সেখানে ধর্মীয় শিক্ষা দেওয়া হতো কি না এবং ধর্মান্তকরণের কোনও চেষ্টা হয়েছিল কি না—এই অভিযোগগুলির বিষয়ে প্রশাসনিক তদন্ত না হওয়া পর্যন্ত নিশ্চিতভাবে কিছু বলা সম্ভব নয়।** অভিযুক্ত রিনা মণ্ডলের বক্তব্যও এখনও পাওয়া যায়নি।


ঘটনার পর এলাকায় যাতে নতুন করে উত্তেজনা না ছড়ায়, সেদিকে প্রশাসনের নজর রয়েছে। অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ ও প্রশাসন কী পদক্ষেপ নেয়, এখন সেদিকেই নজর স্থানীয়দের।

সম্পর্কিত খবর