৭ নভেম্বর ২০২৬
২৫.৮°C কলকাতা

আবহাওয়া

২৫.৮°C
পরিষ্কার আকাশ
অনুভূত হচ্ছে
২৬°C
আর্দ্রতা
৬২%
বাতাস
১২.৪ km/h NNW
বায়ুচাপ
১০১৬ hPa
বৃষ্টিপাত (গত ১ ঘণ্টা)
০ mm
মেঘে ঢাকা
০%
দৃশ্যমানতা
১০ km
সূর্যোদয়
০৫:৪৪
সূর্যাস্ত
১৬:৫৬

হালনাগাদ: ০৭ Nov, ০৮:৫২ IST

🚨
বাংলার খবর, বিশ্বের নজরে
তাজা খবর
কর্মভূমি এক্সপ্রেসে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড! পুড়ল অন্তত ৪টি কামরা, আতঙ্কে ছোটাছুটি যাত্রীদের রাজমিস্ত্রির কাজে গিয়ে মর্মান্তিক পরিণতি! ঘুমের মধ্যেই বিষধর সাপের কামড়ে মৃত্যু ১৮ বছরের যুবকের, শোকের ছায়া সাগরদিঘিতে চন্দ্রকোনা পুলিশের সাফল্য! গোপন অভিযানে উদ্ধার প্রায় ১০ কেজি শব্দবাজি, গ্রেফতার এক নোদাখালিতে মদের দোকান খোলার প্রতিবাদে মহিলাদের বিক্ষোভ, ভাঙচুর ও রাস্তা অবরোধ! রাস্তায় মদ ফেলে আগুন দুই জেলার সীমানা পেরিয়ে রমরমিয়ে মাদক কারবার! টার্গেটে কলেজ পড়ুয়ারাও, পুলিশের জালে চক্রের অন্যতম মূল পাণ্ডা
পশ্চিমবঙ্গ

মালদায় ট্যাব কেলেঙ্কারিতে গ্রেফতার প্রধান শিক্ষক ও করণিক, ৫ দিনের সিআইডি হেফাজত

লিখেছেন Editor - Bengal News Net ১০৪ বার পঠিত ২ মিনিটের পড়া
মালদায় ট্যাব কেলেঙ্কারিতে গ্রেফতার প্রধান শিক্ষক ও করণিক, ৫ দিনের সিআইডি হেফাজত

**মালদা:** ট্যাব কেলেঙ্কারি মামলায় বড়সড় পদক্ষেপ সিআইডির। মালদার হবিবপুর থানার কেন্দপুকুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দুলাল মণ্ডল এবং বিদ্যালয়ের করণিক রাজেশ চৌধুরীকে গ্রেফতার করেছে সিআইডি। ধৃত দু’জনকে মালদা জেলা আদালতে পেশ করা হলে পাঁচ দিনের সিআইডি হেফাজতের নির্দেশ দেন বিচারক।


অভিযোগ, ২০২৪ সালের নভেম্বর মাসে রাজ্য সরকারের তরফে পড়ুয়াদের ট্যাব কেনার জন্য পাঠানো টাকা একাধিক ক্ষেত্রে পড়ুয়াদের নির্দিষ্ট অ্যাকাউন্টে না গিয়ে অন্য অ্যাকাউন্টে চলে যায়। এই ঘটনায় রাজ্যজুড়ে তোলপাড় শুরু হয়। মালদা জেলার বিভিন্ন বিদ্যালয়ের বিরুদ্ধেও ট্যাবের টাকা নয়ছয়ের অভিযোগ ওঠে। পরে গোটা ঘটনার তদন্তভার দেওয়া হয় সিআইডিকে।


তদন্তে নেমে এর আগে মালদা-সহ উত্তর দিনাজপুরের ইটাহার থেকে কয়েকজনকে গ্রেফতার করেছিল সিআইডি। এবার নতুন করে তদন্তের গতি বাড়িয়ে হবিবপুরের কেন্দপুকুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও করণিককে গ্রেফতার করা হল।


সিআইডি সূত্রে অভিযোগ, ওই বিদ্যালয়ের **৯১ জন পড়ুয়ার ট্যাবের টাকা অন্য অ্যাকাউন্টে চলে গিয়েছিল**। ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসার পর ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়ায়। তৎকালীন জেলা বিদ্যালয় পরিদর্শক বাণীব্রত সাহা প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করেছিলেন। পরবর্তীতে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকও করণিকের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেন।


মালদা জেলা আদালতের সরকারি আইনজীবী দেবজ্যোতি পাল জানান, বিদ্যালয়ের ওয়াই-ফাই ব্যবহার করে ট্যাবের টাকা অন্য অ্যাকাউন্টে ট্রান্সফার করা হয়েছিল বলে তদন্তে উঠে এসেছে। তাঁর দাবি, টাকা ট্রান্সফারের সময় প্রধান শিক্ষকের ফোনে ওটিপি যেত। সেই ওটিপি তিনি কাকে দিয়েছিলেন এবং এই ঘটনায় আরও কারা জড়িত, তা খতিয়ে দেখতেই দুই অভিযুক্তকে হেফাজতে নিয়েছে সিআইডি।


অন্যদিকে, দক্ষিণ মালদা জেলা বিজেপির সাধারণ সম্পাদক নীলাঞ্জন দাস অভিযোগ করেন, তৎকালীন সরকারের আমলে দুর্নীতি ও লুটপাট চলেছে। তাঁর দাবি, ট্যাবের টাকা কীভাবে অন্য অ্যাকাউন্টে গেল এবং এর নেপথ্যে কারা রয়েছে, তার নিরপেক্ষ তদন্ত হওয়া প্রয়োজন। প্রকৃত দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তিরও দাবি জানিয়েছেন তিনি।


এখন সিআইডির তদন্তে উঠে আসার অপেক্ষা—৯১ জন পড়ুয়ার ট্যাবের টাকা কীভাবে অন্য অ্যাকাউন্টে পৌঁছল, ওটিপি কার মাধ্যমে ব্যবহার করা হয়েছিল এবং এই ঘটনায় আরও কেউ জড়িত রয়েছে কি না।

সম্পর্কিত খবর

বিজ্ঞাপন দিন • Contact ads@bengalnewsnet.com