২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
২৭.৪°C কলকাতা

আবহাওয়া

২৭.৪°C
মাঝারি বৃষ্টি
অনুভূত হচ্ছে
৩১.২°C
আর্দ্রতা
৮৫%
বাতাস
২৭.৯ km/h SE
বায়ুচাপ
১০০৪ hPa
বৃষ্টিপাত (গত ১ ঘণ্টা)
২.১৯ mm
মেঘে ঢাকা
৮৪%
দৃশ্যমানতা
০.৫ km
সূর্যোদয়
০৫:২৫
সূর্যাস্ত
১৭:৩০

হালনাগাদ: ২৫ Sep, ১৭:৫১ IST

🚨
বাংলার খবর, বিশ্বের নজরে
তাজা খবর
নিম্নচাপের জেরে উত্তাল দীঘা, প্রবল জলোচ্ছ্বাসে টপকে আসছে জল গার্ডওয়াল জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে কলকাতায় প্রদেশ কংগ্রেসের মিছিল, বিবি গাঙ্গুলি স্ট্রিটে আটকাল পুলিশ নিম্নচাপের বৃষ্টিতে জলমগ্ন দুর্গাপুর, ব্রিজের নিচে জমা জলে দুর্ভোগ কলকাতা বিমানবন্দরে ফের সোনা উদ্ধার, ৭০ গ্রামের বেশি সোনা-সহ গ্রেফতার যাত্রী কজওয়ের উপর দিয়ে বইছে স্রোত, আটকে একাধিক পণ্যবাহী লরি; ঘুরপথে হাসপাতালে মুমূর্ষু রোগী
ঝাড়গ্রাম

কজওয়ের উপর দিয়ে বইছে স্রোত, আটকে একাধিক পণ্যবাহী লরি; ঘুরপথে হাসপাতালে মুমূর্ষু রোগী

লিখেছেন Editor - Bengal News Net ৩৪ বার পঠিত ২ মিনিটের পড়া
কজওয়ের উপর দিয়ে বইছে স্রোত, আটকে একাধিক পণ্যবাহী লরি; ঘুরপথে হাসপাতালে মুমূর্ষু রোগী

**ঝাড়গ্রাম:** দু’দিনের টানা বৃষ্টি ও নিম্নচাপের জেরে জলমগ্ন ঝাড়গ্রাম জেলার জামবনি ব্লকের বিস্তীর্ণ এলাকা। তারই মধ্যে ডুলুং নদীর জলস্তর বেড়ে যাওয়ায় চিল্কিগড়ের গুরুত্বপূর্ণ কজওয়ের উপর দিয়ে বিপদসীমার উপর দিয়ে বইছে নদীর জল। ফলে বন্ধ হয়ে পড়েছে স্বাভাবিক যান চলাচল। কজওয়ের দু’প্রান্তে সারি দিয়ে দাঁড়িয়ে রয়েছে একাধিক পণ্যবাহী লরি।


টানা বৃষ্টির জেরে জামবনি ব্লকের বিভিন্ন নিচু এলাকা ইতিমধ্যেই জলমগ্ন। বৃষ্টির প্রভাব পড়েছে ডুলুং নদীর জলস্তরেও। ক্রমশ জল বাড়তে থাকায় চিল্কিগড়ের কজওয়ের উপর দিয়ে স্রোতের সঙ্গে জল বইতে শুরু করে। পরিস্থিতি বিপজ্জনক হওয়ায় যানবাহন চালকেরা ঝুঁকি নিয়ে কজওয়ে পারাপার করতে চাইছেন না।


চিল্কিগড়ের এই কজওয়ে জামবনি ব্লকের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগপথ। প্রতিদিন পণ্যবাহী গাড়ি থেকে শুরু করে যাত্রীবাহী যান এবং জরুরি পরিষেবার গাড়ি এই পথ ব্যবহার করে। কিন্তু নদীর জল কজওয়ের উপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় কার্যত বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে যোগাযোগ ব্যবস্থা।


সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়েছেন পণ্যবাহী লরির চালকেরা। কজওয়ের দু’প্রান্তে আটকে রয়েছে একের পর এক লরি। কখন জল কমবে, সেই অপেক্ষায় ঘণ্টার পর ঘণ্টা দাঁড়িয়ে থাকতে হচ্ছে তাঁদের। ফলে ব্যাহত হচ্ছে পণ্য পরিবহণ এবং তার প্রভাব পড়ছে ব্যবসা-বাণিজ্যেও।


তবে যান চলাচলের পাশাপাশি আরও বড় উদ্বেগ তৈরি হয়েছে চিকিৎসা পরিষেবা নিয়ে। চিল্কিগড় হাসপাতাল থেকে কোনও রোগীকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঝাড়গ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করতে হলে সরাসরি কজওয়ে দিয়ে নিয়ে যাওয়া সম্ভব হচ্ছে না। বাধ্য হয়ে বিকল্প ঘুরপথে রোগীদের হাসপাতালে নিয়ে যেতে হচ্ছে।


এর ফলে বাড়ছে যাত্রার দূরত্ব এবং সময়। গুরুতর অসুস্থ রোগীদের ক্ষেত্রে দ্রুত চিকিৎসা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হওয়ায় এই পরিস্থিতিতে উদ্বেগে রোগীর পরিবার। অ্যাম্বুল্যান্স-সহ জরুরি পরিষেবার গাড়িকেও বিকল্প রাস্তার উপর নির্ভর করতে হচ্ছে।


স্থানীয়দের দাবি, বর্ষাকালে বা অতিবৃষ্টির সময় ডুলুং নদীর জল বেড়ে গেলে চিল্কিগড়ের কজওয়ে দিয়ে যোগাযোগ ব্যাহত হওয়ার ঘটনা নতুন নয়। তবে এবারের টানা বৃষ্টিতে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়েছে। বৃষ্টি আরও বাড়লে নদীর জলস্তর আরও বৃদ্ধি পেতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন এলাকাবাসী।


এই পরিস্থিতিতে কজওয়ের উপর দিয়ে প্রবল স্রোতে জল চলাচল করায় ঝুঁকি নিয়ে পারাপার না করার জন্য সতর্ক করা হচ্ছে সাধারণ মানুষকে। নদীর জল কখন কমবে এবং কবে ফের স্বাভাবিক হবে যান চলাচল—এখন সেই অপেক্ষাতেই চিল্কিগড় ও জামবনির বিস্তীর্ণ এলাকার মানুষ।


**এদিকে, আটকে থাকা লরি এবং জরুরি রোগী পরিবহণের সমস্যার জেরে দ্রুত যোগাযোগ ব্যবস্থা স্বাভাবিক করার দাবি উঠেছে।** নদীর জল না কমা পর্যন্ত কজওয়ে দিয়ে যান চলাচল স্বাভাবিক হওয়ার সম্ভাবনা নেই বলেই মনে করছেন স্থানীয়রা।

সম্পর্কিত খবর